দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ করতে ইসলামিক চিকিৎসা। দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ করার উপায়।
দ্রুত বীর্য পাত বন্ধের ইসলামিক চিকিৎসা।
ইসলাম হল আমাদের একমাত্র জীবন ব্যবস্থা।আমাদের জীবনের সকল আদেশ-নিষেধ আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে আমাদের কে জানিয়ে দিয়েছেন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের জন্য যেসকল নেয়ামত সমূহ দান করেছেন, এই নেয়ামতের ভিতরে আল্লাহ তায়ালা সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে রেখেছেন। পবিত্র কুরআনে দ্রুত বীর্য পাতের ইসলামিক চিকিৎসা সম্পর্কে যেসব আদেশ-নিষেধ ও আল্লাহর নেয়ামত সম্পর্কে বলা হয়েছে সেগুলো বিস্তারিত দেওয়া হল।
√√ তোমরা হালাল ও পবিত্র উত্তম রিজিক ভক্ষণ কর। এবং সৎকর্ম করো। (সুরা-২৩ মুমিনুন, আয়াত: ৫১)। অতঃপর সকল বিশ্ববাসীর উদ্দেশে আল্লাহ তাআলা বলেন, হে ঈমানদারগণ তোমরা হালাল উত্তম রিজিক আহার করো, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। হালাল খাবার হল আল্লাহ তাআলার একটি নেয়ামত, যেটি একজন পরিপূর্ণ ঈমানদার বেক্তিকে সুস্থ রাখে, এবং দৈহিক শক্তি বৃদ্ধি করে। একারনে দ্রুত বীর্য পাতের থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রথমেই আমাদের কে হালাল খাবার খেতে হবে।
√√ মধুর মধ্যে আল্লাহ পাক আমাদের জন্য সকল রোগের শেফা রেখেছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন: তাতে মানুষের জন্য রোগের আরোগ্য রয়েছে। (সুরা আন-নাহল, আয়াত : ৬৯)।
আর যে কোনো রোগীকে মধু পান করালে রোগী আস্তে আস্তে করে সুস্থ হয়ে ওঠে। তাই নিয়মিত মধু খেলে আপনার শরীর সবল ও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি যৌন শক্তি অধিক হারে বৃদ্ধি পাবে।
√√ জয়তুন ফলঃ
জয়তুন ফল আমাদের নবী (সা.) এর প্রিয় ফল গুলোর মধ্যে একটি ফল। মহান আল্লাহ তায়ালা সূরা ত্বিনের প্রথম আয়াতে দুটি ফলের কসম খেয়েছেন। তার একটি ত্বীন ও অপরটি ছিল জয়তুন। বিধায় এই জয়তুন গাছকে মুবারক গাছ হিসেবে গন্য করা হয়।
আমাদের প্রিয় নবী (সা.)- এর খুবই পছন্দের ফল ছিল এই জয়তুন ফল।আর এর তেল রাসূল (সা.) নিজে ব্যবহার করতেন। এবং অন্যদেরকে ও ব্যবহার করতে উপদেশ দিতেন।
প্রিয় নবী (সা.), জয়তুন ফল ও তেলকে বরকত ও প্রাচুর্যময় হিসেবে ইরশাদ করেছেন। জয়তুন ফল ও তেলের উপকারিতা বলে শেষ করা সম্ভব নয়। যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যার সমাধানের জন্য জয়তুন ফল ও তেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এছাড়া বৈবাহিত জীবন যাপনে স্বামী- স্ত্রী ২জনের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি ও প্রজনন প্রক্রিয়াতে বিশেষভাবে সাহায্য করে এই জয়তুন তেল।
√√ আবু নাঈম ইবনে আবদুল্লাহ জাফর কর্তৃক বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সীনার গোশত অন্য সকল গোশত থেকে উত্তম হয়ে থাকে। এবং হাদিসের ব্যাখ্যা কারকগন লিখেছেন যে, এর রহস্য হলো, এই গোশতে যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়।
√√ কালোজিরাঃ
ইসলাম ধর্মে মৃত্যু ছাড়া সকল রােগের ওষুধ মনে করা হয় কালােজিরাকে। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন । কালোজিরা মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ঔষধ।
তবে যৌন শক্তির বাড়ানোর জন্য কালােজিরা বিভিন্ন ভাবে খাওয়া হয়ে থাকে। যেমন - মধুর সাথে নিয়মিত কালােজিরা খেলে শরীল সবল হওয়ার পাশাপাশি যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়। আবার কালােজিরার তেল ব্যবহার করেও বিশেষ ফল পাওয়া যায়।
√√ বিটঃ
আপনার যৌনাঙ্গের ক্ষমতার বৃদ্ধির জন্য সবসময় সালাদের সাথে বিট যুক্ত করতে পারেন। বিটে রয়েছে প্রচুর পরিমানে নাইট্রেট। যা আপনার যৌন জীবনকে চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করে।
√√ কোনো কোনো বর্ণনায় পাওয়া যায় যে, হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা.) এর নিকট হাসীস খুব পছন্দ ছিল। হাসীস তিনটি উপাদানের মাধ্যমে তৈরী হয়। খেজুর, মাখন ও জমাট দধি। এ খাদ্য দ্বারা শরীর শক্তিশালী হয় এবং যৌনশক্তি বাড়ে।
√√ ইমাম গাজালি (রহ.) তার রচিত কিতাব এহইয়াউল উলুম এর মধ্যে লিখেছেন যে, চারটি বস্তু মানুষের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে।
১। চড়ই পাখি।
২। ত্রিফলা (হরিতকী, আমলকী ও বহেড়া)।
৩। পেস্তা।
৪। তাজাশাক-সবজি।
তাই আসুন আমরা আমাদের যৌনশক্তি বাড়াতে বর্নিত যে কোন সহজ বিষয় টি ব্যাবহার করি।
