গীবত করা কখন জায়ে জ আছে?When is it permissible to gossip?
সালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বন্ধুরা আপনারা কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন।
আজকে আমি আলোচনা করব,যে সকল ক্ষেত্রে গীবত করা জায়েজ আছে সেই সম্পর্কে।
প্রিয় বন্ধুরা গীবত করা এটি একটি মারাত্মক অপরাধ। কুরআন শরীফের মধ্যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন গীবতকারীকে সে ও মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছেন।
এবং আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসের মধ্যে এরশাদ করেছেন গীবত হল ব্যভিচারের থেকেও কঠিন গুনাহ।
এইজন্য আমাদের সর্বোপরি চেষ্টা করতে হবে যাতে করে আমার দ্বারা অন্য কারো গীব ত না হয়।
তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানুষের গীবত করা জায়েজ আছে আসুন আজ সেই ব্যাপারে আলোচনা করা যাক।
কি কি কারনে গীবত করা জায়েজ আছে?
(All the reasons why it is permissible to gossip)
১] যদি কোন ব্যক্তি জুলুমের শিকার হয় তাহলে সেই ব্যক্তি জুলুম করার কথা এমন ব্যক্তির কাছে বলতে পারবে ,যে তাকে প্রতিহত করতে পারবে। সুতরাং যদি মাজলুম জালেমের জুলুমের কথা এমন লোকের কাছে বলে বেড়ায়, যে তাকে কোন কিছুই করতে পারবেনা তাহলে এটাও জায়েজ হবে না।
২] বিদআত কারীদের গীবত করাও জায়েজ। কোন ব্যক্তি থেকে শরীয়তের খেলাফ তথা শিরিক বেদআত কুফর ইত্যাদি প্রকাশ পেলে সমাজের লোকদের কে সতর্ক করার জন্য তার এমন সকল শরীয়ত বিরোধী কার্যকলাপ জন সমাজের কাছে ফুটিয়ে তোলা যায়েজ আছে।
৩] মুফতি সাহেব থেকে ফতুয়া চাওয়ার জন্য বাস্তব অবস্থা প্রকাশ করা এটাও জায়েজ। যদি বাস্তব অবস্থা প্রকাশ করতে গিয়ে কারো গীবত করতে হয় তাহলেও তা জায়েজ আছে।
৪] যদি কোন ব্যক্তি কারো সাথে বিবাহ সাদি অথবা বেচাকেনার লেনদেন করে। আর তুমি জানতে পারলে যে এ লেনদেনের মধ্যে অজ্ঞতার কারণে কোন এক পক্ষের ক্ষতি হওয়াটা নিশ্চিত এই ক্ষেত্রে ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য বাস্তব অবস্থা বর্ণনা করা গীবতের অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৫] যদি কোন ব্যক্তি শুধু কোন ত্রুটিযুক্ত নামের দ্বারাই প্রসিদ্ধ হয়। যেমন লেংরা তাহলে মানুষের কাছে তার ঠিকানা বলার সময় এসব প্রসিদ্ধ নামের ব্যবহার করলে গীবত হবে না তবে হ্যাঁ দ্বিতীয় অন্য কোন নামে সম্বোধন করা উত্তম যদি সে নাম জানা থাকে।
